মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প সমূহ :

 

আবর্তক ঋণ কর্মসূচি :

ইউসিসিএ জন্মলগ্ন থেকে সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে সদস্য সমিতির্ মধ্যে ঋণ বিতরণ করে আসছে। সোনালী ব্যাংকের উপর থেকে নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনার জন্য সরকার বিরআরডিবি কে দুইশ কোটি টাকা ঘূর্ণায়মান ঋণ তহবিল প্রদান করে। এরই অংশ হিসেবে মাধবপুর ইউসিসিএ বিগত ২০০৪ইং সনে ২৪.১৮ লক্ষ টাকা ঋণ তহবিল পায় এবং কৃষক ও বিত্তহীন সমিতির সদস্যদের মধ্যে ধান চাষ ও অন্যান্য কৃষিজাত পণ্য উৎপাদনেউক্ত ঋণ বিতরণ/ আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

ক্র:

নং

প্রকল্প/কর্মসুচীর নাম

সমিতি গঠন

সদস্য ভর্তি

শেয়ার আদায়

সঞ্চয় আদায়

ঋণ বিতরন

ঋন আদায়

আদায় হার

খেলাপী

ঋন তহবিল প্রাপ্তি

মূল কর্মসুচী

১১৮

৩৯২৮

৯.৫২

২০.২৯

১৭৭.৯৭

১৪৮.২৬

৯৫%

৪.৪১

২৪.৯৮

সমন্বিত দারিদ্র বিমোচন কমূসূচি (সদাবিক) :

দারিদ্র বিমোচনে সরকারী প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সরকারের রাজস্ব বাজেটের আওতায় বিআরডিবি বিগত ১লা জুলাই ২০০৬ ইং তারিখ থেকে দেশের ৬৪ টি জেলায় ৪৪৬ টি উপজেলায় এই প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মাধবপুর উপজেলা এই কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য :

পল্লী এলাকায় বিত্তহীন জনগোষ্ঠীকে (পুরষ ও মহিলা) অনানুষ্ঠানিক দলে সংগঠিত করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জীবন যাত্রার গুণগত মান উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও নিজস্ব জমার মাধ্যমে সহায়ক পুজিঁ গঠন, আয় বর্ধক কর্মকান্ড ভিত্তিক ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা, মানব সম্পদ উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, মহিলাদের সচেতনতা ও ক্ষমতায়নের সুযোগ সৃষ্টি করা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

ক্র:

নং

প্রকল্প/কর্মসুচীর নাম

সমিতি গঠন

সদস্য ভর্তি

শেয়ার আদায়

সঞ্চয় আদায়

ঋণ বিতরন

ঋন আদায়

আদায় হার

খেলাপী

ঋন তহবিল প্রাপ্তি

সদাবিক

২৩

৫৩৯

-

৭.৬৭

৯৪.৭৬

৭৫.৫২

৮৯%

৮.৩৭

২২.০০

মহিলা উন্নয়ন অনু বিভাগ :

দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী বিধায় নারী সম্পর্কে উৎপাদন ও উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় যুক্ত করা ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব নয়। এই অপরিহার্য শর্ত পূরণে বিআরডিবি ১৯৭৫ সনে জাতীয় ভিত্তিক পৃথক একটি মহিলা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময়ে কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের প্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক সাম্প্রতিক কালে উক্ত কর্মসূচিকে মহিলা উন্নয়ন অনুবিভাগ নামে বিআরডিবির মূল কর্মসূচিভূক্ত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ০১/০৭/১৯৮৬ইং থেকে মাধবপুর উপজেলায় উক্ত কর্মসূচি পরিচালিত হয়ে আসছে।

কর্মসূচির উদ্দেশ্য :

১। গ্রামীন মহিলাদের দারিদ্র দূরীকরণের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।

২। সমবায় সমিতি গঠন পূর্বক সদস্যদের নিজস্ব পুজিঁ গঠনে সহায়তা করা।

৩। মহিলাদের আয় বর্ধক মূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের জন্য ঋণ প্রদান ও   তদারকি।

৪। উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমবায়ীদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ, নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, কৃষি বিষয়ক কার্যক্রম, নার্সারী ও পরিবেশ উন্নয়ন সহ পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণে উদ্ভুদ্ধ   করণ।

৫। বিভিন্ন সংক্রমন জনিত রোগ ও প্রতিকার, এইচ আইভি/ এইডস,    ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব ইত্যাদি বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলা।

ক্র:

নং

প্রকল্প/কর্মসুচীর নাম

সমিতি গঠন

সদস্য ভর্তি

শেয়ার আদায়

সঞ্চয় আদায়

ঋণ বিতরন

ঋন আদায়

আদায় হার

খেলাপী

ঋন তহবিল প্রাপ্তি

মহিলা উন্নয়ন

৬৬

২৬১৭

১৪.৪৫

৬৯.০৪

৭৯৬.৪৭

৭২০.৩৩

৯৯%

০.১৩

 

পল্লী প্রগতি প্রকল্প :

পল্লী প্রগতি প্রকল্প বিআরডিবির একটি বৃহৎদারিদ্র বিমোচন প্রকল্প। সম্পূর্ণ সরকারী অর্থায়নে প্রকল্পটি দেশের ৪৭৬ টি উপজেলায় ৪৭৭ টি ইউনিয়নে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় অত্র মাধবপুর উপজেলায় ছাতিয়াইন ইউনিয়নে বিগত ২০০২ইং সন থেকে পরিচালিত হয়ে আসছে।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য :

পল্লী অঞ্চলে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক ও জন সম্পদের সমন্বিত ব্যবহার। ক্ষুদ্র উদ্যোগ উন্নয়ন ঋণ প্রদানের মাধ্যমে অভিষ্টদের আয় ও স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, স্বাস্থ ও পুষ্টি শিক্ষা, পরিবার কল্যাণ, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং মহিলাদের আর্থ সামাজিকভাবে ক্ষমতায়ন, গ্রাম ভিত্তিক সংগঠন করে গ্রুপ সদস্যগণকে স্ব স্ব যোগ্যতা সামথ্য অনুযায়ী উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নিয়োজিত করার জন্য তাদেরকে আয় বর্ধক কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশিক্ষণ প্রদান করা ও ঋণ বিতরণ।

ক্র:

নং

প্রকল্প/কর্মসুচীর নাম

সমিতি গঠন

সদস্য ভর্তি

শেয়ার আদায়

সঞ্চয় আদায়

ঋণ বিতরন

ঋন আদায়

আদায় হার

খেলাপী

ঋন তহবিল প্রাপ্তি

পল্লী প্রগতি

২৩

৫৪৩

-

৩.৬৯

৩৯.২২

৩১.১৯

৮১%

৭.০২

১৮.০০

অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের জন্য প্রশিক্ষণ ও আত্ম-কর্মসংস্থান প্রকল্প :

বাংলাদেশ সরকার অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের আর্থিক স্বচ্ছলতা ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০০৩-২০০৪ অর্থ “অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের জন্য প্রশিক্ষণ ও আত্ম-কর্মসংস্থান প্রকল্প”বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু করে। এই প্রকল্পের অত্র মাধবপুর উপজেলায় ৫.১৯ লক্ষ টাকা ঘূর্ণায়মান বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য : এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের স্বাবলম্বী করার জন্য বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করে ঋণ প্রদান ও আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করা।

ক্র:

নং

প্রকল্প/কর্মসুচীর নাম

সমিতি গঠন

সদস্য ভর্তি

শেয়ার আদায়

সঞ্চয় আদায়

ঋণ বিতরন

ঋন আদায়

আদায় হার

খেলাপী

ঋন তহবিল প্রাপ্তি

মুক্তিযোদ্ধা

-

৩২

-

-

২.৮৯

১.৪৪

৮১%

১.৪৬

৭.১৯

 

 

 

 

 

একটি বাড়ি একটি খামার :

মাননীয় প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান বর্তমান সরকার কর্তৃক ঘোষিত ‘দিন বদলের সনদ’বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের অগ্রাধিকারভূক্ত নির্বাচনী অঙ্গীকার দারিদ্র বিমোচন। রূপকল্প ২০২১ অনুযায়ী ২০১২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ কে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ২০১৫ সালের মধ্যে দারিদ্রের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা সহ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’গড়ার বিষয়ে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই অঙ্গীকারের আলোকে বর্তমান সরকার স্থানীয় সম্পদ, সময় ও মানব শক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার তথা জীবীকায়নের মাধ্যমে প্রতিটি বাড়িকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত করতে বদ্ধ পরিকর। সেই লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে দেশের প্রতিটি গ্রামে ৬০-১০০ জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত গ্রাম সংগঠনকে একটি স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত এই প্রকল্পটি উপজেলা পর্যায়ে লিড এজেন্সী হিসেবে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি প্রথম পর্যায়ে জুলাই ২০০৯ হতে জুন ২০১৩ সাল পর্যন্ত সরকারী অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্পের লক্ষ্য :

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য প্রতিটি পরিবারকে মানব ও অর্থনৈতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই আর্থিক কার্যক্রমের একক হিসেবে গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে ২০১৫ সালের মধ্যে জাতীয় দারিদ্র ২০% এ নামিয়ে আনা।

উদ্দেশ্য সমূহ :

১। প্রথম প্রতি উপজেলার ৩৬টি গ্রাম হিসেবে ১৭,৩৮৮ গ্রামের দরিদ্র ও অতি

দরিদ্র পরিবারকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল (৮৫,০০০) গ্রামের ৫১,০০,০০০ দরিদ্র/ অতি দরিদ্র (প্রতি গ্রামে ৬০ টি) পরিবারসহ সমিতিভূক্ত সকল পরিবারকে গ্রাম সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

২। ২০১৩ সালের মধ্যে প্রকল্পাধীন সকল গ্রামের প্রতিটি পরিবারকে কৃষি, মৎস্য

চাষ, পশু পালন ইত্যাদি কাজের মাধ্যমে একটি কার্যকর (খামার বাড়ি) হিসেবে গড়ে তোলা।

৩। ২০১১ সালের মধ্যে প্রকল্পাধীন প্রতি গ্রাম থেকে ৫ জন করে (কৃষি, পশু

পালন, হাঁস-মুরগী পালন, মৎস্য চাষ, বৃক্ষ-নার্সারী ও হটি কালচার ট্রেডে প্রতি বিষয়ে ১ জন) মোট ৮৬,৯৪০ জন সদস্যকে জীবীকা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিয়ে খামার স্বেচ্ছাসেবী গঠন করা এবং অন্যান্য বিষয়ে গ্রাম কর্মী সৃজন করা।

৪। ২০১২ সালের জুনের মধ্যে ঋণ সহায়তার মাধ্যমে নিজে/ সদস্যদের নিয়ে

প্রতি গ্রামে ৫টি করে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষিত কর্মীদের বাড়িতে মোট ৮৬,৯৪০ টি প্রদর্শনী খামার গড়ে তোলা।

৫। বর্ণিত খামার স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় আগামী ২০১৩ সালের সরাসরি

উপকারভোগী কমপক্ষে ৯,৫৬,৩৪০ পরিবার সহ গ্রামের অন্যান্য পরিবারে অনুরূপ খামার বা জীবীকা ভিত্তিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা।

৬। ২০১৩ সালের মধ্যে অনিবাসী ভূমি মালিকদের ভূমি সহ গ্রামীন সকল

সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার ও সম্পত্তির মালিকানা নিশ্চিত করা।

৭। ২০১৩ সালের মধ্যে প্রকল্প থেকে অতি দরিদ্র/ দরিদ্র সদস্যদের মাসিক

সঞ্চয়ের বিপরীতে সমপরিমাণ কন্ট্রিবিউটরি মাইক্রো সেভিংস প্রদানের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের ব্যক্তি সঞ্চয় বছরে ন্যূনতম ৫,০০০ টাকায় উন্নীত করা যা ২ বছরে ১০,০০০ এবং ৫ বছরে ৪০,০০০ টাকায় উন্নীত হবে।

৮। ব্যক্তি তহবিলে কন্ট্রিবিউটরি অর্থের অতিরিক্ত প্রতিটি সংগঠনকে বছরে

তাদের নিজস্ব সঞ্চয়ের সম-পরিমাণ প্রকল্প থেকে মূলধন সহায়তার মাধ্যমে ২ বছরে মোট ৯,০০,০০০ টাকা গ্রাম সংগঠন তহবিল গড়ে তোলা।

৯। প্রধান কৃষি ফসলের পাশাপাশি আদা, হলুদ, পিঁয়াজ, রসুন, জিরা, মসলা

বিভিন্ন ফল এবং অন্যান্য অপ্রধান কৃষি ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রতিটি বাড়ি সংশ্লিষ্ট জমি ব্যবহার করা।

১০। মাছ চাষের পাশাপাশি গ্রামীন জনগণের মাধ্যমে অন্যান্য (aquatic

culture) কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা।

১১। উপজেলা পর্যায়ে বর্তমান সুবিধা (বিআরডিবি/ বিএডিসির গুডাউন)

ব্যবহার করে একটি করে সমবায় ভিত্তিক বাজার ব্যবস্থাপনা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ (হিমাগার সহ) ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

১২। কৃষিজাত পণ্যের সমবায় ভিত্তিতে মার্কেটিং প্রক্রিয়াজাত করার বিষয়ে

লাখসই প্রযুক্তি ব্যবহারের কার্যক্রম করা।

এক নজরে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, মাধবপুর উপজেলার তথ্য বিবরনী

০১। প্রকল্প আরম্বের তারিখ: জুলাই/২০০৯খ্রি:

০২। প্রকল্পের অর্থায়ন : বাংলাদেশ সরকার

০৩। সমিতি গঠন : ১১টি ইউনিয়নে মোট ৭৯টি

০৪। সদস্য ভর্তি : ৩৫২৩জন

০৫। পুজি গঠন : ক) সঞ্চয় জমা - ৯৪.৬২লক্ষ টাকা

             খ) কল্যান অনুদান - ৯৪.৬২ লক্ষ টাকা

০৬। ঋণ কার্যক্রম :ক) ঋণ তহবিল প্রাপ্তি -১০৩.০৭ লক্ষ টাকা

              খ) ঋণ বিতরন - ১৪৪.৭৬ লক্ষ টাকা

              গ) ঋণ গ্রহিতার সংখ্যা - ১৩৪৮ জন

              ঘ) ঋণ প্রকল্পের সংখ্যা - ১৩৪৮টি

০৭। প্রশিক্ষন কার্যক্রম : ( ২০১০-১১ ও ২০১১-১২)

 

ক্রনং

অর্থ বছর

বিবরন

প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা

০১

২০১০-১১

গাভী পালন

৪০জন

০২

"

হাস মুরগী পালন

২০জন

০৩

২০১১-১২

গবাদী পশু পালন

৩৬জন

০৪

"

হাস মুরগী পালন

৩৬জন

০৫

"

মৎস চাষ

৩৬জন

০৬

"

উদ্যান নার্সারী

৩৬জন

০৭

"

সমিতি ব্যাবস্থাপনা(সভাপতি ম্যানেজার)

৭২জন

 

 

মোট

২৭৬জন

 

০৮।সম্পদ হস্তান্তর :

 

ক্র:নং

খাতের নাম

প্রাপ্ত টাকা

ব্যায়িত টাকা

উপকারভোগী সদস্য সংখ্যা

০১

গাভী/বকনা

২০০০০০০

২০০০০০০

১০০জন

০২

হাস মুরগী

১৫০০০০

১৫০০০০

৩০জন

০৩

ঢেউটিন

৪৪০০০০

৪৪০০০০

৪৪জন

০৪

শাক সবজী বীজ

১২০০০০

১২০০০০

১২০জন

০৫

গাছের চারা

৯০০০০

৯০০০০

৯০জন

 

সর্বমোট=

২৮০০০০০

২৮০০০০০

৩৮৪জন

অপ্রধান শস্য উপাদণ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণ কর্মসূচী ২য় পর্যায়

১। প্রকল্পের উদ্দেশ্য :

     ক) প্রকল্প এলাকায় অপ্রধান শস্য যেমন : ডাল, সরিষা, মরিচ, পেয়াজ, আদা, রসুন, ভুট্রা ও মিষ্টি আলু উৎপাদনের ক্ষেত্র সৃষ্টি ও উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটানো এবং দারিদ্র হ্রাসকরণ।

     থ) ক্ষুদ্র প্রান্তিক ও বর্গাচাষী কৃষকদের সাংগঠনিক কাঠামোর অন্তভৃর্ক্ত করে অপ্রধান শস্য উৎপাদন সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাতকরণে উদ্বুদ্ধকরণ।

     গ) উৎপাদক, ভোক্তা ও ব্যবসায়ীসহ সমাজের সংশ্লিষ্ট জনবলকে আর্থ সামাজিক উন্নয়ন এবং পুষ্টিমান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অপ্রধান শস্যের গুরুত্ব ও প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করে তোলা।

     ঘ) সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মহিলাদের অপ্রধান শস্য উৎপাদন সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ কাজে সম্পৃক্ত করে আয় ক্ষমতায়নের পথ সুগম করা।

     ঙ) অপ্রধান শস্য উৎপাদন সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ কাজে যুক্ত সকলকে আ্ধুনিক তথ্য প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক ধারনা সংবলিত জ্ঞান প্রদান ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা।

     চ) অপ্রধান শস্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানী নির্ভরশীলতা ক্রমান্বয়ে হ্রাসকরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় সাশ্রয় করা।

     ছ) মহিলাদের আয়বর্ধক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে সহায়তা করা।

ক্র:

নং

প্রকল্প/কর্মসুচীর নাম

সমিতি গঠন

সদস্য ভর্তি

শেয়ার আদায়

সঞ্চয় আদায়

ঋণ বিতরন

ঋন আদায়

আদায় হার

খেলাপী

প্রশিক্ষণ

অপ্রধান শস্য

৩০

৬৮০

-

০.৮৫

 

 

 

 

৬৮০